যে ঘোড়া ছুটে আসে বিপ্লবে, যুদ্ধে, মৃগয়ায় || অন্তর চন্দ্র



কবি নাসিমা সুলতানা ১৫ই জানুয়ারি, ১৯৫৭ সালে কুষ্টিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮২তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। লেখালেখির শুরু স্কুল জীবনে। প্রথম সদর্পে আত্মপ্রকাশ ১৯৭৬ এ সমকাল পত্রিকার মাধ্যমে। কবিতা ছাড়াও গল্প, প্রবন্ধ ও গবেষণামূলক রচনা লিখেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: মৃগয়ার যুদ্ধের ঘোড়া, করতলে রাজদন্ড চাই ( সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলালের সঙ্গে যৌথ), নীল মাছিটি এখন আমার রক্তে। তিনি ১৭ নভেম্বর ১৯৯৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।


কবিতার শরীরবৃত্তীয় অতিলৌকিক টিউন মিউমিউ করছে। এই বৃষ্টিতে কোথাও কবিতা চড়াবো, কবিতার পরিব্রাজক হবো—এতোসব ভেবে লাভ নেই; ধুলোধূসর জমা পাণ্ডুলিপির বোধের পরাগ মেখে বীরাচারী কিছু পাওয়ার আশায় নাসিমা সুলতানার ‘মৃগয়ায় যুদ্ধের ঘোড়া' পড়তে বসলাম। একটা জাদুকরী আবহ আছে কবিতাগুলোর ভেতর নয়তো কবি কাজল চক্রবর্তী রাত বারোটায় ফোন দিয়ে এতো ব‌ই থাকতে এটির নাম বলতে যাবেন কেন? যা হোক ব‌ইটা সংগ্রহ করলাম। মোট পঁয়তাল্লিশটি কবিতার এক বিশাল সম্ভার; বিশাল এই অর্থে যে কবিতার ভাববার বিষয়বস্তু ও তার সারাৎসার উপলব্ধির ভাষা। নরেশ গুহ বলেন, “কবিতা লেখাও বরং সহজ কিন্তু কবিতার বিষয়ে লেখা আর অসাধ্যসাধন করা প্রায় এক কথা।” ব্যাপারটা হলো ভাবুকের দৃষ্টিভঙ্গিতে যেটুকু বোধ্য তার সবটুকু সেচে ছেঁকে দেখা অর্থাৎ কবিতার হৃৎপিণ্ডের ধ্বনি শোনা। আমার সহজ-সরল মগজে কবিতার আলোচনা পণ্ডশ্রম মাত্র! কবিতা কি বস্তু? কবিতার চোখ-হাত-কান-পা-মাথা-মুণ্ডু কিছুই বুঝি না! তবুও চেতনার কথা বলতে আমার ভেতরের মানুষটাকে কবিতার মধ্যদিয়ে খুঁজতে গিয়েই এতসব চিন্তার বহিঃপ্রকাশ।

নাসিমা সুলতানার কবিতায় ভাঙাচোরা জীবনের মধ্যে থেকেও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কীভাবে সমস্ত বাঁধাকে পরাজিত করে এগিয়ে চলতে হয় তার গভীর অনুপাত; ‘মৃগয়ায় যুদ্ধের ঘোড়া’ আত্মঘাতী নয়! বরং সে নিজেই আত্মঘাতের স্বীকার। পৃথিবীতে যখন হিংসা, দাসত্ব, আত্মগ্লানির অস্থিরতা, রক্তারক্তি তখন মানুষের বোধের ভাষায় কবি বলেন....

"আমি শব্দের রশি ধরে অগ্রসর হতে থাকি
ভাতের ফ্যানের মতো ম্যাড়ম্যাড়ে মিহি সুরে
ভোরের কোরান পড়ে কৃষ্ণকায়, কুয়াশামগ্ন ক্রীতদাস
তাদের মন্ত্রপূত চামড়ার নিচে কালো রক্তের কাফেলা
জোড়া জোড়া পায়ে পেরিয়ে যায় কিউবান সভ্যতা
তখন‌ ওই উদ্ধত তারুণ্যের দিকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ তুলে যে বলে
‘মানুষের মুক্তি হবে এইবার’
—হয় না।” ( মৃগয়ার যুদ্ধের ঘোড়া/১)

হতাশা ও ক্ষোভের আগুন, চোখে নিরন্নের লজ্জা ঢেকে কবি সহসাই প্রশ্ন তোলেন, ‘তোমার মাথার ওপর আছে কি আকাশ? পায়ের তলায় জমিন?’ —এ প্রশ্ন তখন কবির একার নয় আপামর জনসাধারণের যারা দাসত্ব মেনে নিয়েছে—যাদের অধিকার হরণ হয়েছে কবি তাদের গোত্রের মধ্যে এক জ্বলন্ত ছুটন্ত ‘মৃগয়ায় যুদ্ধের ঘোড়া।’ —এই কবিতাগুলো মানুষের জেগে ওঠার আহ্বান; শুধু , আহ্বান বললে ভুল হবে, কীভাবে বিপ্লব আনতে হয় রোডম্যাপ। বিংশ শতাব্দীর কিউবার বিপ্লব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুর্জোয়াদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই। স্বৈরাচারী ফ্লেজানসিও বাতিস্তাকে পরাজিত করে—কিউবার সাধারণ নাগরিকরা ফিদেল কাস্ত্রোকে কিউবার দ্বায়িত্ব তুলে দেন। বৈদেশিক শোষণ-শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবী জনগণের বিজয় উল্লাস। সারা পৃথিবীর বুকে বুর্জোয়াদের বুকে কাঁপন ধরিয়েছে। ‘মৃগয়ায় যুদ্ধের ঘোড়া’ যেন এক বিপ্লবী ঘোড়া যে কোনো বাঁধা মানে না। কখনো হারতে শেখেনি। সমস্ত অধিকার আদায় করে‌ই—সে ক্ষান্ত হবে। কিন্তু হয় না, কোথায় যেন এক অদৃশ্য শক্তি সব তছনছ করে দিয়ে যায়।


‘কিছু ক্রোধ হোক’ কবিতায় জেগে ওঠার আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলতে গিয়ে ঈশ্বরের কাছে ‘ক্রোধ’ ভিক্ষা চাওয়া—আমার মতো পিপাসা কাতর পাঠককে উদ্ভাসিত করে তোলে, মাঝেমধ্যে তুখোড় সাহসী মনোভাবের একঝলক ফুটে ওঠে! প্রাপ্য অধিকারের সবটুকু ফিরে পেতে ক্ষমতাসীনের কপাল নখ দিয়ে চিঁড়ে দিতে ইচ্ছে হয়! তার বদলে ঈশ্বরের কাছে ক্রোধ ভিক্ষা চাওয়া নিছকই কবির আত্মতৃপ্তির অপূর্ব প্রত্যাশা।


“একদিন ময়ূর সিংহাসন আমাদের ছিল ভেবে কিছু ক্রোধ হোক এইবার
একটা মারাত্মক কিছু ঘটুক এইবার।
প্রতিদিন আত্মহত্যা এসে টোকা দেবে দরোজায় এমন হয় না
প্রতিদিন প্রাচীন মুখোশ, পরচুলা আর বেলফুল নিয়ে কেটে যাবে গন্ধময় বিকেল
—এমন হয় না
প্রতিদিন নষ্ট সহবাসে ব্যর্থ হবে জীবন এমন হয় না হয় না!” ( কিছু ক্রোধ হোক এইবার/ মৃগয়ার যুদ্ধের ঘোড়া)


নাসিমা সুলতানার কবিতার আরেকটি দিক হচ্ছে শ্রেণি-সংগ্রাম বা লেলিন, চে গুয়েভারা প্রমুখ দ্বারা সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই। শ্রেণি-সংগ্রাম মূলত কি? সুবিধাবাদী, অত্যাচারী, পরজীবীদের বিরুদ্ধে অধিকারহীন, অত্যাচারিত ও মেহনতি ব্যাপক জনগনের সংগ্রাম; বুর্জোয়াদের বিরুদ্ধে মজুরি-শ্রমিক বা প্রলেতারিয়েতের সংগ্রাম। ‘বাঘ’ কবিতায় মহামতি লেলিনকে তিনি ‘বাঘ’ বলে উপস্থাপন করেছেন, আর বুর্জোয়াদের তীব্র ভাষায় নেড়িকুত্তা বলে অভিহিত করেছেন। লেলিন যিনি শ্রমিকদের জন্য সারাটা জীবন কাজ করে গেছেন। রাশিয়ার মতো দেশে তিনি‌ই বিপ্লবের সেরা মানুষ। তিনি বলেছিলেন, আমাদের দেশে বিদেশি শোষণ চলবেনা, গরিবের উপর, শ্রমিকদের উপর অন্যায় অত্যাচার চলবে না, অসৎ পথে যারা বড়লোক হয়েছে তাদের ধ্বংস করতে হবে। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা মৌলিক চাহিদাগুলো সবাই ভোগ করবে। সবাই সুযোগ পাবে। নাসিমা সুলতানার কবিতায় মূর্ত বা বিমুর্তভাবে এই কথাগুলোই ধ্বনিত হয়েছে, ‘বাঘ’ ‘প্রান্তরে ঘুমুচ্ছে মানুষ’ ‘ঘুমে ছিলাম একা ছিলাম’ ‘নিদ্রিত মানুষের মুখে’ ইত্যাদি কবিতায় মানুষের জাগরণের কথা।


” আমাকে একটা জনসভার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়ে বলা হলো
‘শ্রেণি সংগ্রাম কাকে বলে ওদের বুঝিয়ে দাও’
আমি জানতাম নুড়ি পাথরের বিষন্নতা নিয়ে যে মানুষ—তাকে
জানতাম কমন্ডলু থেকে ফোঁটা ফোঁটা শান্তিবারি ছিটিয়ে
পারমাণবিক মৈত্রীর বিরুদ্ধে হোমাগ্নি করছে যে মানুষ—তাকে
জানতাম না মহজাগরণ বলে কোন কথা নেই
ওটা আপেক্ষিক....” (প্রান্তরে ঘুমুচ্ছে মানুষ)


‘মৃগয়ায় যুদ্ধের ঘোড়া’ সমাজ, রাষ্ট্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় যে প্রতিধ্বনি তুলছে তা নাসিমা সুলতানার শব্দচয়ন ও কাব্যপ্রতিভার উজ্জ্বল উদাহরণ। কবিতার কিছু কিছু বিমূর্ত বাক্যেও একধরণের মোহ কাজ করে। মনে হয়, অদৃশ্য শক্তি এসে দুইবাহুতে জোর দিয়ে বলছে—বেঁচে থাকাটাই শুধু জীবন নয়! জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলোর যথেষ্ট যোগান দরকার, যা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অনুপ্রেরণা যোগায়।


নাসিমা সুলতানা তার কবিতায় শুধুমাত্র সমকালীন বিষয়াবলীকে সংযুক্ত করেননি বরং প্রাচীন মিথ, সভ্যতা, ইতিহাস-ঐতিহ্যের ভেতরের সত্যকে আশ্রয় করে—সুচেতনার কথা বলেছেন। একদিকে যেমন— ভালোবাসার অপূর্ব মেলবন্ধন অপরদিকে বিচ্ছেদের করুন সুর পাঠককে মোহিত করে তোলে। তিনি দুঃখের আগুনে পুড়ে যেন নিজেই খাঁটি থেকে গেছেন। ‘দুঃখ তোমাকে’ কবিতায় একজন নারীর সাহসী চরিত্র ফুটে উঠেছে, যে নারী চারজন বন্ধুর সাথে বসে অন্ধকারে সিগারেট খেতে চায়, নিজের স্বাধীনতা বিক্রি হয়েছে জেনে পুরুষতন্ত্রের দিকে ছুঁড়ে দেয় বিষ; যে নিজের দুঃখ ভুলে সময়ের কাছে সুন্দর জীবনের প্রত্যাশা করে—নারীত্বের অবমাননা সহ্য হয় না তাই সমস্ত দ্বিধাকে তিনি অগ্নিতে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত!


“দুঃখ তোমাকে এক উজ্জ্বল রুমাল দিলাম, বাড়ি
ফিরে যাও; আজ থেকে ছাড়াছাড়ি অনন্তকাল
আজ তিনজন পুরুষ বন্ধুকে নিয়ে অন্ধকারে বসে সিগারেট খাবো
হুইস্কি সহ্য হয় না আমার, অসম্ভব অগ্নিতে পুড়ে যায় দ্বিধা....” (দুঃখ তোমাকে)


অন্যদিকে ভালোবাসার জন্য তিনি সবুজ ক্লোরোফিল খোঁজেন, বিমুগ্ধ ডালপালায় মেলে ধরে নিজেকে নাবালিকা চাঁদের সহাস্যে জোৎস্নাখোঁচিত আলোয় মেলে ধরেন এবং জমে থাকা দুঃখগুলো গেঁথে রাখেন আপন সুতায়, খুঁজে পান এক রোমান্টিক অনুভূতির জগত। ‘ভালবাসার ভূমিকা’ লিখতে গিয়ে তিনি একগুচ্ছ গোলাপের কাঁটাযুক্ত আঘাতের পরিচয় দিয়েছেন। অন্যদিকে ভালোবাসার জন্য বিচ্ছেদী প্রকরণের বিষয়বস্তু অনুসন্ধান করেও দ্ব্যর্থহীন ভাবে ভালোবাসার দিকে তাকিয়ে থাকেন, বলেন, ‘ভালবাসার মতো একটা সর্বাত্মক যুদ্ধের জন্যে অপেক্ষায় রয়েছি।’ এটিই হতে পারে একজন প্রেমিকের ভালোবাসার অপ্রাকৃত অনূভুতির সংযোগ।


“ভালোবাসা এই ভাবে হয়,
ধূপের গন্ধ হয়ে ভেসে ভেসে
প্রতিদিন অন্ধকারে, ছায়াময়
সূর্যাস্তের সমস্ত অমিয় মেখে
চিত্রিত শীতলপাটিতে
ভালোবাসা বসে থাকে নত মুখে
এইখানে হাত রাখো ভালোবাসা হবে।” (ভালোবাসা)

ভালবাসতে কে না চায় বলুন, কিন্তু সব ভালবাসা সবসময় প্রকৃত হয় না! আবার কখনো কখনো অনাগ্রহেও প্রেম বাড়ে; থাকে স্বার্থ, ঈর্ষা, দ্বেষ! কবি যে স্বার্থহীন ভালবাসাকে খুঁজে বেড়ান, সে ভালোবাসা নিরন্তর হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে। ভালোবাসার অপ্রাকৃত লীলাময় পটভূমি তিনি খুঁজে পান না, শিরোনামহীন এক অদম্য যাত্রা, এ পথে শুধুই লজ্জা, ঘৃণা ও দুঃখের ছড়াছড়ি; কখনো কখনো অবিশ্বাসের কাছে নত হয়ে ঈশ্বরের কাছে ছুঁড়ে দেন তিক্ত হাসি, সে ঈশ্বর কি দুঃখ বোঝে? দুঃখের কোন পটভূমি হয় না, তাই এই কবিতার নাম, ‘পটভূমি নেই’

“আমার কি শ্বাস-প্রশ্বাস নেই, এভাবে ঝুলে থাকবো অবচেতন নির্ভর,
আমার কি হাত-পা মাথামুণ্ডু কিছুই নেই,
আমি কি স্ত্রীলোক নই? স্বপ্নে ক্রমাগত অপরাধ করে যাবো
ভাল লাগায় উঁচু হতে হতে ছুঁয়ে দেবো মনুমেন্ট!” ( পটভূমি নেই )


‘মৃগয়ায় যুদ্ধের ঘোড়া’ কাব্যগ্রন্থের বেশ কয়েকটি কবিতা উল্লেখ করতে চাই যেমন— ওঁ নিদ্রায়ৈ নমঃ, কিছু ক্রোধ হোক, মৃগয়ার যুদ্ধের ঘোড়া, মুই তুকে দেইখ্যা লিবো, আলু-পটল-কুমড়ো বিষয়ক, ঘুমে ছিলাম একা ছিলাম, একমুঠো ভাতের কবিতা, ভুবনের বাড়ি ইত্যাদি। কবিতার সার্থকতা বলতে আত্মপ্রসাদ লাভ! জীবনানন্দ দাশ যে শুচিশুদ্ধ পাঠকের কথা বলেন আমি তা ন‌ই! কিন্তু রসবোধের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাই না—নাসিমা সুলতানা ক্ষণজন্মা একজন অসামান্য কবি। খুব একটা যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছেন তাও নয়! নতুন প্রজন্মের বহু লোক তাকে চিনেন কিনা সন্দেহ, তবে তৎকালীন সময়ে তার এতসব অনুপম চিন্তার বহিঃপ্রকাশ পাঠক সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। যখন আমি তার কবিতা নিয়ে বসলাম, প্রথমত, মাথায় কিছুই ঢুকছিল না কিন্তু যখন ধীরে ধীরে বোঝবার চেষ্টা করলাম, আত্মস্থ হলাম, তখন কবিতার মর্মরেখা পর্যন্ত ছুঁয়ে দেখার সাধ জাগলো এবং ততক্ষণে ‘মৃগয়ায় যুদ্ধের ঘোড়া’ শুধু আমার একার নয় বরং আপামর জনসাধারণের আত্মতৃপ্তির ঢেকুর।


প্রথমত, নরেশ গুহ'র যে কথাটি উল্লেখ করে লেখাটি শুরু করেছিলাম, সেই কথার সূত্র ধরে নাসিমা সুলতানার অসামান্য সৃষ্টি বিচার করাটা আমার পক্ষে যথেষ্ট হবে না! কবিতার মায়াজালে জড়িয়ে পড়েছি বলে, দু’চারটি উপলব্ধির ভাষা প্রয়োগ করা দুঃসাহসিকতা নয়! বরং আনন্দের ও সুখের। সবমিলিয়ে ‘মৃগয়ায় যুদ্ধের ঘোড়া’ আমার কাছে চিরকালীন অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছুটে চলা মানুষের আত্মপ্রসাদ।


★★★★★★★★★★★★★★
কাব্যগ্রন্থ: মৃগয়ায় যুদ্ধের ঘোড়া 
কবি : নাসিমা সুলতানা 
প্রকাশনা : ঐতিহ্য 
প্রথম প্রকাশ: এপ্রিল ১৯৮৫
প্রথম ঐতিহ্য সংস্করণ : ফেব্রুয়ারি ২০২৪
প্রচ্ছদ : ধ্রুব এষ 
পৃষ্ঠা : ৬৪
আইএসবিএন: ৯৭৮-৯৮৪-৭৭৬-২৩৫-৭

Post a Comment

0 Comments