হৈমন্তিকা
অন্তর চন্দ্র
কুহেলি প্রাতেঃ আলতা পায়ে এলে তুমি নেচে রাণী হৈমন্তিকা
আনন্দী ধরণী কন্যা রূপসীর সোনালীর রঙে ঝিলমিল
যতনে রেখেছি তারে বড় ভালোবেসে ঘরে তুলে খুব কাছে
চির জীবন দায়িনী; কৃষাণ বধূর ঘর আলো করে আসে।
রৌদ্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মানুষের দেহ তবু ভালোবাসি
অমৃতের স্বাদ পেতে হৈমন্তিকা কাছে আসি সুরঞ্জিত মাঠে;
তোমার দেহের তীব্র রূপ-লাবণ্য দেখেছি ছুঁয়ে একদিন
যেদিন তোমার স্বীয় মানস পুত্র আদরে জড়িয়ে ধরল।
মাঠে মাঠে সোনালীর সুখ কার্তিকের দুঃখ ঘুচে দিয়ে ক্রোমে
নবান্নের দেশে যেতে যেতে মনে হয় আজ সুখ পৃথিবীর,
পাখি উড়ে যায় দূরে প্রান্তরের শীষ ধানে; মন ছেঁয়ে মেঘে
কৃষাণ ছুঁড়িল ঢিল মরিবার এই হলো কাল সন্ধ্যামণি।
লুকোচুরি খেলা ঠোঁটে নিয়ে শীষ ধান বেঁচে আছি এই বেশ!
তুমি শুধু গান গাও কোকিলের কুহুতান ভেসে আসে ভোরে।


0 Comments